ঢাকা, মঙ্গলবার ০৫ আগস্ট ২০২৫ মাসস
জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) ঘোষণা হতে পারে। ১২ ফেব্রুয়ারি হতে পারে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। জুলাই সনদপত্র বিকেলে ঘোষণা করার পর রাতে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিতে পারেন প্রধান উপদেষ্টা। সেখানে জানাতে পারেন ফেব্রুয়ারিতে রোজা শুরুর আগেই নির্বাচন হবে।
বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন অসীম বলেন, ‘মধ্য ফেব্রুয়ারি থেকে রোজা আরম্ভ হবে। সম্ভবত 18 ফেব্রুয়ারি থেকে সম্ভবত রোজা আরম্ভ হবে। সে কারণে রোজা আরম্ভ হবার অন্তত সপ্তাখানিক আগে যদি নির্বাচনটা শেষ হয়। তাহলে আমার মনে হয় প্রত্যেকটা রাজনৈতিক দলের জন্য দেশের জনগণের জন্য সুবিধাজনক একটা পরিবেশ আমি মনে করি যে বিদ্যমান থাকবে। ’
নির্বাচন কমিশনের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. মো. জকোরিয়া বলেন, ‘নির্বাচনের একটা নান্দনিক প্রক্রিয়া হলো ভোটার তালিকা। ভোটার তালিকার কার্যক্রম ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশন মোটামুটি শেষ করে নিয়ে আসছে। এটা হালনাগাত প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শেষ করেছে।’
ভোট যদি হয় ১২ ফেব্রুয়ারি তাহলে তফসিল হবে কবে? গত ১২টি নির্বাচন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়— তফসিল ঘোষণার পর থেকে সর্বনিম্ন ৩৭ দিন থেকে সর্বোচ্চ ৬৮ দিনের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে ভোটগ্রহণ। আগামী নির্বাচনে যদি ভোটের আগে ৯০ দিন সময় দেওয়া হয়। তবে তফসিল ঘোষণা করা হবে ১৪ নভেম্বর। ৬০ দিন আগে হলে তারিখটা হবে ১৪ ডিসেম্বর। আর যদি ভোটের প্রস্তুতিতে ৪৫ দিন সময় দেয়া হয় তবে তফসিল ঘোষিত হবে ২৯ ডিসেম্বর।
নির্বাচন সংস্কার কমিশনের প্রধান ড. বদিউল আলম বলেন, ‘নির্বাচন যদি ফেব্রুয়ারির প্রথম দিকে হয় তাহলে ডিসেম্বরের শেষে কিংবা ডিসেম্বরের মধ্যে সম্ভবত তফসিল ঘোষণা করা হবে। আমাদের চতুর্থ জাতীয় সংসদের ৬৮ দিন ছিল তফসিল আর সর্বনিম্ন হল ৩৭ দিন। যেহেতু স্বাভাবিকভাবে সংসদের পূর্ণ মেয়াদ শেষ হয়নি। তাই তফসিলের সুনির্দিষ্ট কোনো সময়সীমাও নির্ধারণ করা নেই। তবে নির্বাচন কমিশনকে অবশ্যই প্রচার প্রচারণার জন্য কমপক্ ১৫ থেকে ২১ দিন সময় দিতে হবে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার জন্য দিতে হবে আরো ১০ থেকে ১৫ দিন। যাচাই বাছাইয়ে দুই একদিন সময় দেওয়ার পাশাপাশি আপিল ও আপিল নিষ্পত্তিতে কমপক্ষে তিন দিন করে সময় দেওয়ার নিয়ম রয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের সাবেক অতিরিক্ত সচিব জেসমিন টুলি বলেন, ‘জনপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ এ যেটা বলা আছে তফসিল ঘোষণার পর কতদিনে একটা টাইম ফ্রেম ওখানে মোটামুটি একটা ধারণা দেওয়া আছে। একটা আইনে একদম সুস্পষ্ট বলা আছে যে প্রত্যাহারের পরে থেকে ভো গ্রহণের তারিখে কমপক্ষে অন্ততপক্ষে ১৫ দিন থাকতে হবে। তবে যদি সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সমঝোতা হয় তাহলে ১২ ফেব্রুয়ারির আরো কয়েকদিন আগে অনুষ্ঠিত হতে পারে।
সূত্র : কালের কণ্ঠ
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম