ঢাকা, রবিবার ২৪ আগস্ট ২০২৫মাসস
বছরের প্রথম সাত মাস
বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের অ্যাডভোকেসি ও নেটওয়ার্কিং পরিচালক জনা গোস্বামী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো না। নারীবিরোধী প্রচার বেড়েছে। নারীবিদ্বেষ বাড়ছে। এসব কিছুর কারণে নারীর প্রতি সহিংসতা ও নির্যাতন বেড়েছে। অপরাধীরা ভাবছে—তারা কোনো সাজা পাবে না। সেজন্য দেশের এ ক্রান্তিলগ্নকে সুযোগ হিসেবে নিয়েছে অপরাধীরা।’
আসক ও মহিলা পরিষদের তুলনায় আরো ভয়াবহ তথ্য উঠে এসেছে মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের (এমএসএফ) প্রতিবেদনে। এতে বলা হয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত দেশে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ৫০২ জন। এর মধ্যে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ১৩৩ জন। এছাড়া ধর্ষণের পর ২৭ জনকে হত্যা করা হয়। ধর্ষণচেষ্টা করা হয় ২০৯ জনকে। গত বছরের একই সময়ে ধর্ষণের শিকার হন ২৮৪ জন। সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার ৯১ জন এবং ধর্ষণ ও হত্যার শিকার হন ১৬ জন। এছাড়া ১১৭ জনকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. সৈয়দ শাইখ ইমতিয়াজ বলেন, ‘দেশের পুলিশি ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। ফলে পুলিশ আগে যে সক্রিয় ভূমিকায় ছিল, জুলাই আন্দোলনে বাহিনীটি বিতর্কিত হওয়ার পর আর সেই ভূমিকায় ফেরেনি। তবে এটিই মূল কারণ নয়। জুলাই আন্দোলনের পর নারীদের স্বাধীনতা, অধিকার, বাইরে যাওয়া নিয়ে এক ধরনের বয়ান তৈরি করা হয়েছে। এতে নীরবে ধর্ষকদের একধরনের উৎসাহ দেওয়া হয়েছে।’
সূত্র: বণিক বার্তা।
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম