
মাস্টারি বিডি । বাঁধন
কৃষি প্রতিবেদন । ১৮ ডিসেম্বর ২০১৮ । ০৪ পৌষ ১৪২৫
আগে খাল-বিল, পুকুরসহ বিভিন্ন জলাশয়ে অযত্নে আর অবহেলায় কলমি শাক উৎপন্ন হতো। ঘন সবুজ লতানো গাছে অনেক সময় ভরে উঠতো পুকুর জলাশয়গুলো। আর তাতে যখন ফুল ফুটতো তখন নয়নাভিরাম এক দৃশ্যের সৃষ্টি হতো। সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে এখন বাজারজাতের উদ্দেশ্যে আবাদি জমিতে কলমির চাষ করছে চাষিরা।

মেহেরপুরের চাষিরা মাঠে কলমি শাকের বীজ উৎপন্ন করে বিক্রি করছেন। বিভিন্ন কোম্পানির সহায়তায় বিগত কয়েক বছর ধরে তারা এ কাজ করছেন। বর্তমানে মেহেরপুরের মাঠে শাক খাওয়ার জন্য চাষ হচ্ছে কলমি। অন্যান্য শাকের সাথে পাল্লা দিয়ে বাজারে বিক্রি হচ্ছে কলমি। আর দামও ভালো।

স্বাস্থ্য সচেতন মানুষ এর পুষ্টিগুণ জেনে বর্তমানে বাজার থেকে কলমি শাক কিনে বাড়িতে নিয়ে রান্না করে খাচ্ছেন।
কলমি শাক আঁশজাতীয় একটি খাবার। এতে খাদ্য উপাদান রয়েছে প্রচুর পরিমানে। এটি চোখ ভালো রাখে, হজমে সাহায্য করে এবং রক্তে হিমোগ্লোবিনের অনুপাত ঠিক রাখে। ভর্তা কিংবা ভাজি করে তরকারি হিসেবে খাওয়া হয় এ কলমি শাক। কলমি শাকে রয়েছে অনেক ওষুধি গুণ। দামে সস্তা অথচ পুষ্টিগুণে ভরপুর।

কলমি শাক চাষ করে এরইমধ্যে এলাকার চাষিরা বেশ লাভবান হয়েছেন। ফলে কলমি শাকের চাষ ক্রমেই বেড়ে চলেছে। এতে করে মাঠ ভরে উঠছে কলমির মনভোলানো ডগা আর দৃষ্টিনন্দন ফুলে।
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম