
মাস্টারি বিডি । শেখ নজরুল
ফিচার ডেস্ক । ২৬ নভেম্বর ২০১৮ । ১২ অগ্রহায়ণ ১৪২৫
শীতের ফুল ভাবতেই মনটা রঙিন হয়ে ওঠে। বাংলাদেশ নদীর দেশ। বাংলাদেশ ফলের দেশ। শীত এলে মনে হয় বাংলাদেশ ফুলেরই দেশ। বাংলার সারা জমিন জুড়ে লাল নীল হলুদ শাদা নানা বাহারি রঙের ফুলে ভরে ওঠে। ভোরসকালে কুয়াশার শাদা চাদর সরে যেতেই এই রঙ মাধুর্যের ফুলে ফুলে দুলে ওঠে বাগানগুলো। লাল সবুজের সঙ্গে এ যেন এক অন্যরকম বাংলাদেশ। বর্ণে গন্ধে চারদিক মাতোয়ারা। তাইতো মাঝে মাঝে শীতের ফুল হতে মন চায় আমার।

বাংলাদেশে শীতকালে প্রচুর ফুল ফোটে। এর মধ্যে গাঁদা অন্যতম। এতে রয়েছে নানা রঙ আর ভিন্ন ভিন্ন প্রজাতি। কোনোটা হালকা হলদে, কোনোটা হলদে-কমলা আবার কোনোটার পাপড়ির মধ্যে খয়েরি রঙ। এদের মধ্যে লাল গাঁদাও রয়েছে। আকারের ক্ষেত্রেও রয়েছে তারতম্য। শীতের আরেকটি নজরকাড়া ফুল ডালিয়া। এটির রয়েছে অসংখ্য প্রজাতি। ডালিয়ার মাংসল মূল দিয়ে এর বিস্তার করানো যায়। এর আছে নানা রঙের বাহার। সবুজ আর নীল ছাড়াও এতে আছে আরো কিছু রঙ।

শীতের আরেকটি ফুল কসমস। তিন থেকে চার ফুট লম্বা এবং ফালিপাতাবিশিষ্ট এই গাছে ধরে একটি একক ফুল। কসমসে লাল, সাদা এবং গোলাপি রঙই বেশি দেখা যায়।

কৃষ্ণকলি আমাদের দেশি ফুল। এটি হাত-দেড়েক লম্বা এবং এতে ছোট ছোট ফুল ফোটে। কোনোটি সাদা আবার কোনোটি গোলাপি।
আরেকটি ফুল চন্দ্রমল্লিকা। এ ফুলটি আমাদের দেশের প্রকৃতিপ্রেমীদের মোহাবিষ্ট করে রেখেছে। ফুলটির রয়েছে শতাধিক প্রজাতি। এমন কোনো রং নেই যা চন্দ্রমল্লিকার প্রজাতিতে নেই। রঙের দিক থেকে এরা অতুলনীয়।

গ্যাজানিয়া ফুলের আদি নিবাস দক্ষিণ আফ্রিকা হলেও বাংলাদেশের শীত মৌসুমের জনপ্রিয় ফুল এটি। এটি লতানো। পাতা সরু, লোমযুক্ত। ফুল অনেকটা সূর্যমুখীর মতো। সাদা, লাল, কমলা, হলুদ রঙের ফুল হয়। পাহাড়ি এলাকায় এরা ভালো জন্মে।
পিটুনিয়া আফ্রিকা ও আর্জেন্টিনার ফুল। তবে ক্রমেই বাংলাদেশের শীত মৌসুমে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে তা। ঘণ্টাকৃতির এক একটি ফুল ফোটে গাছের ডালে ডালে। সাদা, বেগুনি, গোলাপি রঙের ফুল ফোটে জাতভেদে।
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম