
মাস্টারি বিডি ডটকম ।
আন্তর্জাতিক । ২৫ নভেম্বর ২০১৭ । ১১ অগ্রহায়ণ ১৪২৪
নানা নাটকীয় ঘটনার মধ্যদিয়ে জিম্বাবুয়ের রাষ্ট্রক্ষমতায় এলেন এমারসন নানগাগওয়া।
জিম্বাবুয়ের নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন নানগাগওয়া।
রাজধানী হারারের জাতীয় স্টেডিয়ামে জমকালো আয়োজনে শেষ হয় শপথ অনুষ্ঠান।
শুক্রবার বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতিতে শপথ পড়ান জিম্বাবুয়ের প্রধান বিচারপতি। দায়িত্ব নেয়ার মুহূর্তে দেশের গণতন্ত্র সমুন্নত রাখার আশ্বাস দিয়েছেন ৭৫ বছর বয়সী নানগাগওয়া।
তিনি ঘোষণা দেন, সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেবেন দেশের মানুষের স্বার্থকে।

বরখাস্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত নানগাগওয়া মুগাবের একজন ঘনিষ্ঠ মিত্র ছিলেন।
ভাইস প্রেসিডেন্টের পদ থেকে নানগাগওয়াকে বরখাস্ত করার পর সামরিক বাহিনীর হস্তক্ষেপে মুগাবে ক্ষমতাচ্যুত হন।
১৯৮০ সালে ব্রিটিশ উপনিবেশবাদ থেকে স্বাধীনতা লাভের পর থেকে দীর্ঘ ৩৭ বছর ধরে মুগাবে স্বৈরাচারী কায়দায় জিম্বাবুয়ে শাসন করেন।
৯৩ বছর বয়সী মুগাবে উত্তরসুরি হিসেবে তার স্ত্রী গ্রেসকে ক্ষমতায় বসানোর পরিকল্পনা করলে সেনা প্রধানের হস্তক্ষেপে তার এ পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। সামরিক বাহিনীর কাছে নানগাগওয়া পছন্দের প্রার্থী হওয়ায় সেনা প্রধান এ পদে তাকে আসীন করেন।
মাত্র দুই সপ্তাহ আগে ভাইস প্রেসিডেন্টের পদ থেকে বহিষ্কৃত হওয়া নানগাগওয়ার এই ফিরে আসাকে আফ্রিকান রাজনীতির বড় ঘটনা হিসেবে দেখছেন সমর্থকরা।

মঙ্গলবার রবার্ট মুগাবে পদত্যাগ করায় শূন্য হয় জিম্বাবুয়ের প্রেসিডেন্টের পদ। আগামী বছর নতুন নির্বাচনের আগ পর্যন্ত প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে থাকবেন নানগাগওয়া।
তবে মুগাবে পরবর্তী যুগে জিম্বাবুয়ের দীর্ঘমেয়াদি কাণ্ডারি হিসেবেই বিবেচনা করা হচ্ছে তাকে।
এদিকে জিম্বাবুয়ের প্রেসিডেন্ট এমারসন নানগাগওয়া বলেন, আমি এমারসন নানগাগওয়া জিম্বাবুয়ের প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলাম। সংবিধানকে সমুন্নত রেখেই দেশের উন্নয়ন-সমৃদ্ধি এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কাজ করব। জিম্বাবুইয়ানদের মানবাধিকার যাতে লঙ্ঘিত না হয় সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে সেদিকে লক্ষ্য রাখা হবে।
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম