মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ | মাসস
দিনাজপুরে এক কৃষককে অপহরণ করে ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবির অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় এনসিপির যুব শাখার পাঁচ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (৬ জুলাই) সন্ধ্যায় শহরের গোরে শহীদ ময়দান এলাকা থেকে একটি সাদা প্রাইভেটকারসহ তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে মঙ্গলবার (৭ জুলাই) আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- জাতীয় যুব নাগরিক শক্তির রংপুর বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আরিফ মুন (২৯), হাসিন ইশরাক মিম (২২), আজমির হোসেন (২২), সাজিদুল মিনহাজ (২৬) ও হৃদয় হোসেন (২২)।
খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান চালিয়ে গোর-এ শহীদ ময়দান এলাকা থেকে অপহৃত আব্দুস সামাদকে উদ্ধার করে। একই সঙ্গে একটি প্রাইভেট কারসহ পাঁচজনকে আটক করা হয়। উদ্ধার করা হয় আব্দুস সামাদের মোটরসাইকেল ও মোবাইল ফোন।
এ ঘটনায় আব্দুস সামাদের ছেলে মো. মামুন বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ১০ থেকে ১২ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে অপহরণ ও চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তারের পর কোতোয়ালি থানায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এনসিপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা থানায় গিয়ে আটক ব্যক্তিদের ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি ও হট্টগোলের ঘটনা ঘটে। পরে খবর পেয়ে বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরাও থানায় অবস্থান নেন। এ সময় কয়েকজন সাংবাদিকের সঙ্গে এনসিপির কিছু নেতাকর্মীর বাগ্বিতণ্ডা ও অসদাচরণের অভিযোগও ওঠে।
দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার ওসি নুরুন্নবী বলেন, ‘বাদীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অপহরণ ও চাঁদাবাজির মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। মামলায় গ্রেপ্তার পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে এবং আরও ১০ থেকে ১২ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে।’
পুলিশ জানিয়েছে, মামলার তদন্তের স্বার্থে পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সূত্র : কালবেলা
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম