Home / অর্থনীতি / বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম বাংলাদেশে আসছেন
jimyongkimmbd

বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম বাংলাদেশে আসছেন

মাস্টারি বিডি ডটকম
১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৬ । ৩১ ভাদ্র ১৪২৩

বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম বাংলাদেশ সফরে আসছেন। আগামী ১৬ অক্টোবর তিনি তিন দিনের সফরে এ দেশে আসবেন। ১৮ অক্টোবর ফিরে যাবেন। ‘এন্ড ওয়ার্ল্ড পভার্টি ডে’ উপলক্ষে তাঁর এ সফর। ১৭ অক্টোবর বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট দারিদ্র্য বিমোচন নিয়ে একটি ‘গণবক্তৃতা’ দেবেন। সেখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা থাকবেন বলে জানা গেছে।

বিশ্বব্যাংক প্রতিবছর এন্ড ওয়ার্ল্ড পভার্টি ডে পালন করে থাকে। দারিদ্র্য বিমোচনে সাফল্য দেখিয়েছে এমন একটি দেশকে প্রতিবছর ‘শোকেস’ বিবেচনা করা হয়। ওই দেশে দিবসটির মূল অনুষ্ঠান করে থাকে বিশ্বব্যাংক। দারিদ্র্য বিমোচনে সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে এবার বাংলাদেশকে বেছে নেওয়া হয়েছে। গত বছর আফ্রিকার দেশ ঘানায় এ অনুষ্ঠানটি হয়। সেখানেও বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম গণবক্তৃতা দেন।

দায়িত্বশীল সূত্রগুলো জানিয়েছে, এ দিবসটি পালন উপলক্ষে গণবক্তৃতায় বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ছাড়াও নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনকে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে। এ ছাড়া অস্ট্রেলিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী কেভিন মাইকেল রুডও আসতে পারেন। তিন দিনের সফরকালে জিম ইয়ং কিম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। এ ছাড়া নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও সভা হতে পারে।
এর আগে বিশ্বব্যাংকের চারজন প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশে এসেছেন। সর্বশেষ রবার্ট জোয়েলিক ২০০৭ সালে বাংলাদেশে আসেন। এ ছাড়া রবার্ট ম্যাকনামারা, পল উলফোভিৎস ও জেমস ডি উলফেনসন বাংলাদেশ ঘুরে গেছেন।

বর্তমান সরকারের আগের আমলে ২০১১ ও ২০১২ সালে পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ এনে নানা ঘটনার মধ্য দিয়ে অর্থায়ন থেকে সরে দাঁড়ায় বিশ্বব্যাংক। বাংলাদেশ এখন নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ করছে। পদ্মা সেতু নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে টানাপোড়েন চললেও বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় টান পড়েনি। প্রতিবছরই বিশ্বব্যাংকের সহায়তা বেড়েছে।

দারিদ্র্য বিমোচনে বাংলাদেশ: স্বাধীনতার পর দারিদ্র্য বিমোচনে দারুণ সাফল্য দেখিয়েছে বাংলাদেশ। ১৯৯০ সালে বাংলাদেশের দারিদ্র্যের হার ছিল ৫৮ শতাংশ। পরে জাতিসংঘের সহস্রাব্দের উন্নয়ন লক্ষ্য (এমডিজি) অনুযায়ী ২০১৫ সালের মধ্যে তা ২৯ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য ঠিক করা হয়। এ সময়ের আগেই বাংলাদেশ সেই লক্ষ্য অর্জন করে।

বাংলাদেশের পরিসংখ্যান ব্যুরোর(বিবিএস) ২০০৫ সালের খানা আয়-ব্যয় জরিপ অনুযায়ী সে বছর পর্যন্ত দারিদ্র্য হার নেমে আসে ৪০ শতাংশে। পরে ২০১০ সালের খানা আয়-ব্যয় জরিপে তা সাড়ে ৩১ শতাংশে নামে।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, গত জুন মাস পর্যন্ত দেশের দারিদ্র্যের হার সাড়ে ২২ শতাংশ। এটি বিদ্যমান দারিদ্র্য বিমোচন হারকে ধরে তৈরি একটি অনুমিত হিসাব। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বকে দারিদ্র্যমুক্ত করার কথা রয়েছে। তবে এর আগেই বাংলাদেশে দারিদ্র্য বিমোচন হবে বলে বিভিন্ন সরকারি মহল থেকে বলা হচ্ছে।
সৌজন্যে : প্রথম আলো

About Mastary Sangbad

Mastary Admin

Check Also

21 26 4

সাতক্ষীরা জেলা প্রথম শ্রেণী ক্যাটাগরিতে উন্নীত

ঢাকা, বুধবার ২১ জানুয়ারি ২০২৬ মাসস পরিবেশগত বৈশ্বিক ঐতিহ্য, পর্যটন এবং অর্থনৈতিক সম্ভাবনার বিবেচনায় সাতক্ষীরা জেলাকে …

Leave a Reply

Your email address will not be published.