মাস্টারি বিডি | জাকারিয়া তুষার
প্রতিবেদন | ১৫ মে ২০১৯ | ০১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬
যশোরের শার্শা উপজেলার সাদিপুর গ্রাম অতিক্রম করে ভারত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে হাকর নদী। তবে একসময় নদীটি শার্শার বড় আঁচড়া, ছোট আঁচড়া, ভবারবেড়, বেনাপোল ও নারায়ণপুর মৌজার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে মিলিত হতো রঘুনাথপুরের কোদলা নদীর সঙ্গে।

কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, পুরনো নদীটিকে এখন আর খুঁজে পাওয়া যায় না। ভারত থেকে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের পর হারিয়ে গেছে নদীটির অস্তিত্ব। নদী দখল করে তার বুকে স্থাপন করা হয়েছে ভবন, মাছের ঘের, পুকুর ইত্যাদি। তবে বাংলাদেশে এসে অস্তিত্বহীন হয়ে পড়লেও ভারতীয় অংশে ঠিকই প্রবাহিত হচ্ছে নদীটি।

১৯২৭ সালের রেকর্ডেও বাংলাদেশের মধ্যে হাকর নদীর প্রবহমানতার প্রমাণ পাওয়া যায়। যদিও বর্তমানে দেখা যাচ্ছে, শার্শা উপজেলার সাদিপুর গ্রামের ১৮ নম্বর সীমানা পিলার এলাকা দিয়ে প্রবেশের পর বেমালুম গায়েব হয়ে গেছে নদীটি। যে স্থান দিয়ে নদীটি প্রবাহিত হওয়ার কথা, সেখানে গড়ে উঠেছে নানা ভবন ও স্থাপনা। খনন করা হয়েছে অনেকগুলো পুকুর ও মাছের ঘের।
এ তথ্য সত্যি দুঃখজনক। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে যথাযথ পদক্ষেপ নিবে- এটিই বিদগ্ধজনদের অভিমত।
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম