ঢাকা, বৃহস্পতিবার ০৬ নভেম্বর ২০২৫ মাসস
নিউইয়র্কের ব্রুকলিনে বিজয় ভাষণ দিতে যখন জোহরান মামদানি মঞ্চে ওঠেন, তখন স্থানীয় সময় প্রায় মধ্যরাত। পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে গিয়ে তিনি পাশে দাঁড়ানো স্ত্রী রামা দুয়াজিকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “রামা, তুমি অসাধারণ। তোমাকে ছাড়া কোনো মুহূর্ত কল্পনাও করতে পারি না।” আরবি শব্দ ‘হায়াতি’—অর্থাৎ ‘আমার জীবন’—ব্যবহার করে তিনি ভালোবাসার প্রকাশ ঘটান।
নিউইয়র্ক টাইমস ও দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট–এর প্রতিবেদনে জানা যায়, এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে জোহরান ও রামার বিয়ে হয়। পুরো নির্বাচনী প্রচারণাজুড়ে রামা ছিলেন স্বামীর নীরব সহযাত্রী। ভাষণে জোহরান তাঁকে “অসাধারণ এক শিল্পী” বলে উল্লেখ করে বলেন, “সে নিজের নামেই পরিচিত হওয়ার যোগ্য।”
সিরীয়–আমেরিকান এই শিল্পী বহুদিন ধরেই রাজনীতি ও সমাজ নিয়ে কাজ করছেন। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত থেকে শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ইস্যু—সব ক্ষেত্রেই তিনি সরব। ১৯৯৭ সালে টেক্সাসের হিউস্টনে জন্ম নেওয়া রামা নয় বছর বয়সে পরিবারসহ দুবাই চলে যান। সেখানেই বেড়ে ওঠা ও প্রাথমিক শিক্ষা। ২০১৯ সালে ভার্জিনিয়া কমনওয়েলথ ইউনিভার্সিটি থেকে যোগাযোগ বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। ২০২১ সালে নিউইয়র্কে এসে পুরোপুরি শিল্পচর্চায় মনোনিবেশ করেন।
একই বছর ডেটিং অ্যাপ ‘হিঞ্জ’-এ জোহরানের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। জোহরান তখন নিউইয়র্ক স্টেট অ্যাসেম্বলির সদস্য। পরে এক সাক্ষাৎকারে তিনি মজার ছলে বলেন, “এই পরিচয় খুব বেশি পুরনো নয়। তাই মনে হচ্ছে, ডেটিং অ্যাপ এখনো অনেকের আশার আলো।
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম