মাস্টারি বিডি | শিমুল আহসান
সাহিত্য বিভাগ | ঢাকা | ০৭ আগস্ট ২০১৯ | ২৩ শ্রাবণ ১৪২৬
আফ্রিকান-আমেরিকান সাহিত্যের প্রথম নোবেল পুরস্কার বিজয়ী নারী উপন্যাসিক টনি মরিসন সোমবার রাতে নিউইয়র্কের এক হাসপাতালে মারা গেছেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর।

টনি মরিসনের পরিবার মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘গভীর দুঃখের সঙ্গে আমরা জানাচ্ছি যে অল্প সময়ের অসুস্থতার পর আমাদের প্রিয় মা ও দাদি টনি মরিসন গত রাতে আমাদের ছেড়ে চিরদিনের মতো চলে গেছেন। তাঁর অন্তিম মুহূর্তে তাঁর পাশে ছিলেন স্বজন ও বন্ধুরা। তাঁর মৃত্যুতে আমাদের বিরাট ক্ষতি হয়ে গেল। তবে আমরা কৃতজ্ঞ, তিনি দীর্ঘ জীবন পেয়েছেন এবং শেষ দিন পর্যন্ত সুস্থ অবস্থায় বেঁচে ছিলেন।’ বিবৃতিতে টনি মরিসনকে ‘নিখুঁত লেখক’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়, যিনি ‘অক্ষরসম্পন্ন বিশ্বকে সমৃদ্ধ করেছেন’।

আমেরিকার জনপ্রিয় এ লেখক ১৯৯৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন। ২০১২ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা তাকে ‘প্রেসিডেন্টসিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম’ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করেন।
মরিসন ১১টি উপন্যাস লিখেছেন। একজন ব্লাক আমেরিকান লেখক হিসেবে গত ৬ দশক ধরে তিনি তার লেখায় জীবনকে গভীরভাবে তুলে ধরেছেন। অন্তরাত্মাসহ কৃষ্ণাঙ্গ আমেরিকানদের জীবন উঠে এসেছিল তাঁর লেখায়। টনি মরিসনের উল্লেখযোগ্য রচনাগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘বিলাভেড’, ‘সং অব সলোমন’, ‘সুলা’, ‘দ্য ব্লুয়েস্ট আই’।
মহাকাব্যিক রীতি, তীক্ষ্ণ কথোপকথন এবং পুঙ্খানুপুঙ্খ চরিত্রায়ন টনি মরিসনের উপন্যাসের বৈশিষ্ট্য।

মরিসন তার ‘বিলাভড’ উপন্যাসের জন্য ১৯৮৮ সালে পুলিৎজার এবং আমেরিকান বুক এওয়ার্ড লাভ করেন। ১৮৬০-এর দশকে আমেরিকার গৃহযুদ্ধের পরে কেন্টাকি থেকে ওহাইওতে আসা এক স্লেভের জীবন ইতিহাস দিয়ে এ উপন্যাসের শুরু।
মরিসন ১৯৩১ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি ওহাইওতে জন্মগ্রহণ করেন। তার প্রথম উপন্যাস ‘দ্য ব্লুয়েস্ট আই’ প্রকাশিত হয় ১৯৭০ সালে। ১৯৭৭ সালে প্রকাশিত ‘সং অব সলোমন’ উপন্যাসের জন্য ‘ন্যাশনাল বুক ক্রিটিক সার্কেল’ অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন টনি মরিসন।
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম