
মাস্টারি বিডি | শান্তা ইসলাম
ফিচার | ঢাকা | ৩১ জুলাই ২০১৯ | ১৬ শ্রাবণ ১৪২৬
টগর ঝোপঝাড়বিশিষ্ট চিরহরিৎ গাছ। টগরের বৈজ্ঞানিক নাম Tabernaemontana divaricata (L.) Br.। এটি গর্ভশীর্ষ পুষ্প ৷
বাংলাদেশের সিলেটে একে দুধফুল বলে ডাকা হয়।

টগর দুই রকম- থোকা টগর ও একক টগর। বাংলাদেশ ও ভারতে এই দুই রকমের টগর পাওয়া যায়। একটি টগরের একক পাপড়ি, অন্যটির গুচ্ছ পাপড়ি। এদেরকে “বড় টগর” ও “ছোট টগর” বলা হয়।

ঝাঁকড়া মাথার জন্য টগর গাছ সুন্দর। টগর সমতল ভূমির গাছ। পর্বতের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও দেখা যায়। বাংলাদেশের বনে-বাদাড়ে টগর এমনিতেই জন্মে। টগরের কাণ্ডের ছাল ধূসর। গাছের পাতা বা ডাল ছিঁড়লে সাদা দুধের মতো কষ ঝরে বলে একে “ক্ষীরী বৃক্ষ” বলা হয়। ফুল দুধ-সাদা। সারা বছর ফুল ফোটে। থোকা টগরের সুন্দর মৃদু গন্ধ হয় কিন্তু একক টগরের গন্ধ নেই।

দক্ষিণ আমেরিকা থেকে এই গাছ ভারত উপমহাদেশে এসেছে।
টগরের মূল ও শেকড় ওষুধে ব্যবহৃত হয়। শেকড় তেতো ও কটু স্বাদের। এতে কৃমি ও চুলকানি দূর হয়।
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম