
মাস্টারি বিডি । শিমুল আহসান
ফিচার বিভাগ । ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮ । ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৫
আজ ২৯ অগ্রহায়ণ। পৌষ-মাঘ দুই মাস শীতকাল। সেই হিসেবে আর মাত্র একদিন পর আক্ষরিকভাবে শীত মৌসুমের শুরু।

তবে আমাদের বাংলাদেশে কার্তিক মাস থেকেই অর্থাৎ হেমন্তের শুরু থেকেই তাপমাত্রা কমতে শুরু করে।

এসময় থেকেই মৃদু শীতের অনুভূতির সাথে সাথে ঘাসের ডগায় মুক্তা দানার মতো শিশির জমতে দেখা যায়। অগ্রহায়ণ থেকেই কুয়াশার চাদর ক্রমান্বয়ে ভারি হতে থাকে।

এবার মফস্বলে শীত পড়ছে বেশ। কিন্তু রাজধানী ঢাকায় এ পর্যন্ত তেমন একটা অনুভূত না হলেও গত দুদিন ধরে শীতের আমেজ লক্ষ করা যাচ্ছে।

যদিও রাজধানীবাসী তাতে তেমন খুশি হতে পারছেন না। কারণ তাদের তো শীতঋতুর প্রস্তুতি খানিকটা বেশিই থাকে। ফলে দামি বাহারি গরম পোশাক এবং অন্যান্য অনুষঙ্গ সেভাবে ব্যবহার করতে পারছেন না তারা।

যাকগে, এখনই এব্যাপারে হতাশ হবার দরকার নেই। সবে তো শুরু। অগ্রহায়ণ তাদের খুশি করতে না পারলেও পৌষ-মাঘ তাদের নিরাশ করবে না।

শীত উপভোগে কুয়াশা কিন্তু একটা দারুণ ব্যাপার। সকালে ঘুম থেকে উঠেই কুয়াশার শাদা চাদর চোখে পড়বে। আশপাশের কিছুই ভালভাবে দেখা যায় না ভারি কুয়াশার ভেতর।

শস্যের ডগায় গাছপালার ফুলে পাতায় ঝকঝকে শিশির জমে থাকে। একটা ভেজা ভেজা স্নানের আমেজ। কুয়াশার ভেতর আলো পর্যন্ত গতি গতি হারায়।

রাজধানীতে কুয়াশা এখনও সেভাবে না পড়লেও মফস্বলে বেশ কুয়াশা পড়ছে। কুয়াশার জন্য নিত্যনৈমিত্তিক কাজকর্মে অবশ্য কিছুটা বিঘ্ন ঘটে থাকে।

যানবাহন চলাচল বিঘ্নিত হয়। কারণ ঘন কুয়াশায় কাছের জিনিসও ভালোকরে দেখা যায় না।

এইসব শীতে কুয়াশায় কৃষক-শ্রমিক মেহনতি অভাবি মানুষের দুর্ভোগ একটু বেড়ে যায়। এ অবস্থায় তাদের কাজে কর্মে একটু কষ্ট হয়।
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম