ভক্তের মাঝেই বেঁচে আছেন আজম খান
Mastary Sangbad
জুন ৫, ২০২৫
জাতীয়, প্রচ্ছদ, বাহান্ন একাত্তর, বিনোদন, ব্যানার, ব্রেকিং নিউজ, সঙ্গীত
194 Views
ঢাকা, বৃহস্পতিবার ০৫ জুন ২০২৫ মাসস
২০১১ সালের ৫ জুন আজকের এই দিনে হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় অসংখ্য ভক্তকে কাঁদিয়ে আজম খান না ফেরার দেশে চলে যান। তার চলে যাওয়ার প্রায় ১৪ বছর হয়ে গেলেও এখনো জনপ্রিয়তা একটুও কমেনি। আজও ভক্ত-শ্রোতাদের প্রিয়শিল্পী হয়েই আছেন পপগুরু। বেঁচে আছেন তার গানের মাঝে।
আজম খানের আসল নাম মাহবুবুল হক খান। তার বাবা আফতাবউদ্দিন আহমেদ ও মা জোবেদা খাতুন। চার ভাই তিন বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন তৃতীয়। আজম খান ১৯৭০ সালে টিঅ্যান্ডটি কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন।
১৯৭১ সালে বাবার অনুপ্রেরণায় অংশ নেন মহান মুক্তিযুদ্ধে। প্রশিক্ষণ শিবিরে তার গাওয়া গান মুক্তিযোদ্ধাদের প্রেরণা যোগাতো।বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর আজম খান গানকেই পেশা হিসেবে বেছে নেন। ১৯৭২ সালে বিটিভিতে ‘এতো সুন্দর দুনিয়ায় কিছুই রবে না’ গানটি প্রচারের পর তুমুল জনপ্রিয়তা ও প্রশংসা পান পপগুরু।
এরপর থেকেই তার গান ছড়িয়ে পড়ে দেশের প্রতিটি প্রান্তে। ১৯৭৩ সালে আজম খান বন্ধুদের নিয়ে গঠন করেন ব্যান্ডদল ‘উচ্চারণ’। যদিও সঙ্গীতে আজম খানের হাতেখড়ি ছোটবেলায়। তার বড়ভাই সঙ্গীত পরিচালক আলম খান গান শিখতেন।
অনেকটা তার দেখাদেখিই গানের প্রতি তার আগ্রহ জন্মে। বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে তিনি উপহার দিয়েছেন বহু জনপ্রিয় গান।‘উচ্চারণ’ থেকে আজম খান ১৬টি একক অ্যালবাম এবং ২৫টি দ্বৈত ও মিশ্র অ্যালবাম তৈরি প্রকাশ করেছেন। পাশাপাশি বেশকিছু সিনেমার গানেও কণ্ঠ দিয়েছেন তিনি। আজম খান
আজম খান১৯৮১ সালে ৩১ বছর বয়সে আজম খান ঢাকার মাদারটেকে সাহেদা বেগমের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তার দুই মেয়ে ইমা খান ও অরনী খান এবং এক ছেলে হৃদয় খান।
আজম খানের উল্লেখযোগ্য গানের মধ্যে রয়েছে-‘কিছুই রবে না রে’, ‘চার কালেমা সাক্ষী দেবে’, ‘আলাল ও দুলাল’, ‘অনামিকা’, ‘হারিয়ে গেছে রে’, ‘বাংলাদেশ’, ‘ওরে সালেকা, ওরে মালেকা’, ‘আসি আসি বলে’, ‘আমি যারে চাইরে’, ‘অভিমানী’ ইত্যাদি।শিল্পকলায় (সংগীত) অবদানের জন্য আজম খান ২০১৯ সালের মরণোত্তর একুশে পদক পেয়েছেন।
২০২৫-০৬-০৫