মাস্টারি বিডি ডটকম । শান্তা ইসলাম
জাতীয়। ০৫ মে ২০১৮ । ২২ বৈশাখ ১৪২৪
উদ্বোধন হচ্ছে, শান্তিনিকেতনের মাটিতে বাংলাদেশর নিজস্ব ঠিকানা-বাংলাদেশ ভবন
উদ্বোধন হতে চলেছে শান্তিনিকেতনের মাটিতে বাংলাদেশর নিজস্ব ঠিকানা-বাংলাদেশ ভবন । উদ্বোধনসংক্রান্ত বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কিছু প্রতিনিধি দল কলকাতা ও শান্তিনিকেতনে কয়েকবার ভ্রমণ করেছেন। ২০১৩ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির আলোচনায় এই বাংলাদেশ ভবন নির্মাণের সিদ্ধান্ত হয়। বাংলাদেশ ভবনের শেষ পর্যায়ের কাজ খতিয়ে দেখতে বিশ্বভারতীতে বাংলাদেশের সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরের নেতৃত্বে ১২ সদস্যের একটি দল সম্প্রতি সফরে যান। বিশ্বভারতীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকে তারা ভবনের সৌন্দর্যায়নের জন্য বেশকিছু প্রস্তাব দেন এবং সে অনুযায়ী সাজছে বাংলাদেশ ভবন। ‘দুই দেশের গবেষক, যারা রবীন্দ্রনাথ ও নজরুল ও বাংলাদেশ নিয়ে গবেষণা করবেন, এবং কাজের প্রকৃত প্রতিষ্ঠান হবে ‘বাংলাদেশ ভবন,’ জানিয়েছেন আসাদুজ্জামান নূর।
বাংলাদেশ ভবন নিয়ে বিশ্বভারতীর শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ছাত্রছাত্রী মহলে যথেষ্ট আগ্রহ আছে । চীনা ভবন, জাপান ভবন-এর পাশাপাশি এই বাংলাদেম ভবন। ২০১৫ সালে বাংলাদেশ সরকার ২৫ কোটি টাকা অনুদান দেয় বাংলাদেশ ভবনের জন্য। উদ্দেশ্য ছিল একটাই, দুই দেশের সাংস্কৃতিক বন্ধনের যে সেতু রয়েছে, তাকে আরও মজবুত করে তোলা। প্রায় ৪ হাজার বর্গফুটের ওপর গড়ে ওঠা বাংলাদেশ ভবনে থাকছে একটি সংগ্রহশালা, যার বিষয় হলো বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন ও দর্শন এবং বাংলাদেশে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবনের স্মৃতিবিজড়িত সামগ্রী। এ ছাড়া আছে একটি গ্রন্থাগার ও অত্যাধুনিক সাংস্কৃতিক মঞ্চ। ‘বাংলাদেশ ভবন হতে চলেছে শান্তিনিকেতনের নবতম আকর্ষণ।
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম