Home / ফটো গ্যালারি / জনপ্রিয় হ’য়ে উঠছে ‘শেখ রাসেল শিশু গ্রন্থাগার’
russel+mbd

জনপ্রিয় হ’য়ে উঠছে ‘শেখ রাসেল শিশু গ্রন্থাগার’

মাস্টারি বিডি ডটকম ।
ঢাকা । ২১ ডিসেম্বর ২০১৭ । ০৭ পৌষ ১৪২৪

ঢাকায় বাংলাদেশ শিশু একাডেমিতে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে ‘শেখ রাসেল শিশু গ্রন্থাগার’। গত পনের মাসে প্রায় ২০ হাজার পাঠক এই পাঠাগার ব্যবহার করেছেন। ক্রমেই পাঠক সংখ্যা বাড়ছে।

গত এক বছরে প্রায় ৪০ হাজার পুস্তকের সমাহার ঘটেছে এই পাঠাগারে। পাঠাগারের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে তিনটি বিশেষ কর্নার। কর্নারগুলোর নাম হচ্ছে ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্নার’, মুক্তিযুদ্ধ কর্নার’ এবং ‘শেখ রাসেল কর্নার’। সরকারের শিশু ও মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে গ্রন্থাগারটি প্রতিষ্ঠা করে বাংলাদেশ শিশু একাডেমি। গত বছরের অক্টোবর মাসে পাঠাগারটি চালু হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পাঠাগার উদ্বোধন করেন।

শিশু একাডেমির মূল ভবনের দোতলায় প্রায় পাঁচ হাজার স্কয়ার ফুট জায়গায় পাঠাগারের অবস্থান। অত্যন্ত মনোরম পরিবেশ। বইপাঠের জন্য রয়েছে বিশটি পড়ার টেবিল। প্রাকৃতিকভাবে পাঠাগারের ভেতরে আলোর সঞ্চালন হয়। দিনের বেলায় ভবনের বাইরের আলো পুরো পাঠাগারটিকে আলোকিত করে রাখে। ফলে দিনের সময়ে বিদ্যুত ব্যবহার করা হয় না। পাঠাগার পরিদর্শনকালে এই প্রতিনিধি প্রাকৃতিক আলো ব্যবহার প্রত্যক্ষ করেন।
বঙ্গবন্ধু কর্নারটি সাজানো হয়েছে তাঁর ওপর লেখা শিশু বিষয়ক ও অন্যান্য উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ এবং গ্রন্থের প্রচ্ছদের ছবি, জাতির জনকের হস্তাক্ষর, ৭ই মার্চের ভাষনসহ কয়েকটি ছবি, শেখ রাসেলের সাথে বঙ্গবন্ধুর ছবি, একাত্তরে শহীদদের চিঠিসহ বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে। শেখ রাসেল কর্নার সাজানো হয়েছে রাসেলকে নিয়ে লেখা বিভিন্ন বইসহ কয়েতশত শিশুতোষ গ্রন্থ ও ছবি দিয়ে। মুক্তিযুদ্ধ কর্নারে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস গ্রন্থমালাসহ বিভিন্ন লেখকের দেড় হাজার গ্রন্থ রয়েছে।

পাঠাগারে দায়িত্বরত কর্মকর্তা হোসনে আরা সংবাদমাধ্যমকে জানান, পাঠগারে মোট পঁচিশটি বুকসেলফ’এ ৪০ হাজার বই রয়েছে। যে সব বিষয়ে বই রয়েছে সেগুলো হচ্ছে, শিশুতোষ, মুক্তিযুদ্ধ, বিজ্ঞান, সঙ্গীত, শিশু সাহিত্য, কিশোর সাহিত্য, গণিত, কম্পিউটার, ছড়া, কবিতা, রবীন্দ্রনাথ, কাজী নজরুল, শরৎচন্দ্র, মানিক বন্দ্যোপাধায়, শামসুর রাহমানসহ বিভিন্ন লেখকের দুই শতাধিক রচনাবলী, ভ্রমণ, জীবনী, নৃত্যকলা, ধর্মীয়, ইংরেজী সাহিত্যের শিশুতোষ, জেলা পরিচিতি। বর্তমানে পাঠাগারের সদস্য সংখ্যা চার হাজারেরও বেশি। বয়স্করাও সদস্য হতে পারেন। সদস্যরা পাঠাগারে পাঠসহ বই বাড়িতেও নিয়ে যেতে পারেন।
পাঠাগার সপ্তাহের সাতদিনই খোলা থাকে। সময় হচ্ছে সকাল দশটা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত। পাঠাগারে প্রতিদিন গড়ে সত্তরজনের মতো পাঠক আসছেন। বৃহস্পতিবার এবং শুক্র ও শনিবার ছুটির দুইদিনে পাঠক আসেন বেশি। এই তিনদিন শতাধিক লোক পাঠগার ব্যবহার করছেন। শুধু শিশু-কিশোর নয়, গবেষক, লেখক, শিক্ষাবিদ, সংস্কৃতিসেবী, সাংবাদিক, শিল্পীসহ সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে যারা লেখালেখি করেন-তারাও এই পাঠাগার ব্যবহার করছেন। তবে শিশুদের সংখ্যা বেশি। তাদের পরিবারের সদস্যরাও আসছেন পাঠাগারে। বাসস

About Mastary Sangbad

Mastary Admin

Check Also

29 6 25 2222

ভঙ্গুর অর্থনীতি, দুর্নীতি ও বৈশ্বিক সংকটের মধ্যেই বাজেট প্রণয়ন করেছি : প্রধানমন্ত্রী

সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫আষাঢ় ১৪৩৩ | মাসস প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘জনগণকে সঙ্গে নিয়ে …

Leave a Reply

Your email address will not be published.