মাস্টারি বিডি ডটকম । শেখ নজরুল
ঢাকা । ১৯ অক্টোবর ২০১৭ । ০৪ কার্তিক ১৪২৪

বাংলায় ‘দীপাবলি’,হিন্দিতে ‘দিওয়ালি’-যার সংস্কৃত অর্থ প্রদীপের সারি। যে প্রদীপের আলোয় দূর হয় সকল অশুভ শক্তি, ঘটে শুভ শক্তির আর্বিভাব। তাই এটা প্রদীপ জ্বালানোর সেই উৎসব। হিন্দু ধর্মশাস্ত্র মতে, কালী হচ্ছে অগ্নির সপ্তম জিহ্বা আর অগ্নি হচ্ছেন স্বয়ং ঈশ্বর; যা কালী বা শ্যামা নামে ভক্তদের কাছে উপস্থিত হয়। মাতৃ আরাধনার আরেক রূপ হচ্ছে শ্যমা পূজা। দীপাবলি হচ্ছে এই পূজার অন্যতম আর্কষণ। ঘন অন্ধকার বিনাশের প্রত্যাশায় সনাতনধর্মাবলম্বীরা এই দিন ঘরে ও মন্দিরে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করেন। তাদের বিশ্বাস, এ প্রদীপের আলোকরেখা যদ্দুর অব্দি যায়, ততদূর কোন অশুভ শক্তি আসতে পারে না।
হেমন্তের ঘনঘোর অমাবশ্যা তিথিতে এখন দীপাবলির আলোয় আলোকিত চারদিক। হিন্দু বিশ্বাস মতে, এই মাহেন্দ্র ক্ষণে আবির্ভাব ঘটে মঙ্গলময় জননী কালী দেবীর। চলছে মহা দীপাবলি উৎসব ও শ্যামাপূজা। ভূ-ভারত হয়ে এদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ পালন করবে কালী পুজা বা দীপাবলী উৎসব। ন্যায়ের জয় আর পারলৌকিক আঁধার সরিয়ে ফেলার কামনায় নৈবেদ্য দান করা হচ্ছে কালী দেবীকে। মঙ্গল শিখায় গৃহ আজ আলোকিত।
কালীপূজার পর শুরু ভাইফোঁটা। শুভদিনের পরম পবিত্র লগ্নে ভাই-বোনের মধুর সম্পর্কের পুনঃ নবীকরণ করে নেওয়া হয় প্রতি বছর। হেমন্তের শিশির দিয়ে বোন তার ভাইয়ের সব অশুভ অমঙ্গল ও অকল্যাণকর শক্তিকে ধুয়ে দেয়। সুগন্ধি চন্দন তিলক ললাটে এঁকে দেয়।ভাই বোনকে আর্শীবাদ বা তার মঙ্গল কামনা করে।
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম