মাস্টারি বিডি ডটকম ।
কুড়িগ্রাম । ২৯ জানুয়ারি ২০১৭ । ১৬ মাঘ ১৪২৩
কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলে চিনা বাদামের বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাসি
কৃষক ও কৃষিবীদরা বলছেন এবারে আবহাওয়া ও পরিবেশ অনুকুল থাকায় স্বল্প খরচে বাদামের ফলন ভাল হয়েছে। ফলে কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে।

সরেজমিন নাগেশ্বরী উপজেলার নারায়নপুর ও নুনখাওয়া ইউনিয়ন দুটির কয়েকটি চর ঘুরে দেখা গেছে কৃষকরা তাদের বাদাম ক্ষেত পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। চরকাপনার কৃষক আবুল হোসেন এ প্রতিনিধিকে বলেন, এবার এক একর জমিতে ডিজি-১ জাতের চিনা বাদাম চাষ করেছি ফলন ভাল হয়েছে। আশা করছি বিঘায় ৪-৫ মন করে বাদাম পাবো।
একই গ্রামের অপর কৃষক মহির উদ্দিন জানান, বাদাম চাষে তেমন খরচ নাই। মাঝে মধ্যে একটু পরিচর্যা করে আগাচা ছেটে দিতে হয়। কোন সেচ দিতে হয় না। বর্তমান বাজারের প্রতিমন বাদাম ৩ হাজার থেকে ৩ হাজার ৫শ টাকা দরে কেনাবেচা হচ্ছে।
নারায়নপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মজিবর রহমান জানান, তিনি চলতি মৌসুমে ৫ হেক্টর জমিতে বাদাম চাষ করেছেন। এবার অনুকুল পরিবেশ থাকায় কোন রোগ বালাই বাদাম ক্ষেত ক্ষতি করতে পারেনি। তিনি আরো জানান, তার ইউনিয়নে এবার ১৩টি চরে চিনা বাদামের বাম্পার ফলন হয়েছে।
কুড়িগ্রাম কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক মকবুল হোসেন বলেন, ‘বাদাম একটি রবিশস্য ফসল। বাদাম খাওয়া যায় এবং তৈল হয়। বাদাম সাধারনত বালু জাতীয় ঝরঝরে মাটিতে চাষ হয়। এবার জেলার ৯টি উপজেলায় ডিজি-১ জাতের বাদাম চাষ করা হয়েছে ২৩১০ হেক্টর জমিতে। ফলন ভাল হয়েছে আশা করছি কৃষক লাভবান হবে’।
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম