
মাস্টারি বিডি । শান্তা ইসলাম
ফিচার । ঢাকা । ১৭ এপ্রিল ২০১৯ । ০৪ বৈশাখ ১৪২৬
গাছের পাতায় পাতায় দুলে উঠে শুভ্রতা। সাদা সাদা থোকা থোকা ফুলগুলো যেন সবুজের মাঝে শুভ্রতার প্রতীক হয়ে বিরাজ করছে। গভীর সৌন্দর্যে প্রকাশিত হয়েছে এর চারদিক। পারিবারিক বাগানগুলোতে এ ফুলগুলোকে পাওয়া যায়। তবে আমাদের দেশের পাহাড়ি এলাকাতেও দেখা যায়। সংস্কৃত ভাষায় এই ফুলটিকে ‘শিবমল্লি’ নামে উল্লেখ করা হয়। ‘ড্রাফট হোয়ইট অর্কিড’ নামেও ইংরেজিতে এর নাম পাওয়া যায়। ফুলটি ধবধবে সাদা, তবে গন্ধহীন। শাখা-প্রশাখার মাথায় ফুল ফোটে। এ ফুটন্ত ফুলগুলো দূর থেকে দৃষ্টি কাড়ে। ফুলটির নাম ‘শ্বেত কাঞ্চন’।

‘শ্বেত কাঞ্চন’ বা ‘কাঞ্চন’ অথবা ‘সাদা কাঞ্চন’ ফুলটি Caesalpiniaceae পরিবারভুক্ত উদ্ভিদ। এর বৈজ্ঞানিক নাম Bauhinia acuminata। ঢাকায় রমনা পার্ক, শেরেবাংলানগর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা, বোটানিক্যাল গার্ডেনসহ প্রায় সারাদেশে আছে।

গুল্মশ্রেণির গাছ তবে বড়ও হতে পারে। কাণ্ড নিচু, শাখা-প্রশাখা অনেক এবং কিছুটা ছড়ানো-ছিটানো। শীতে পাতাহীন গাছজুড়ে দুধসাদা রঙের ফুলের মেলা বসে। ফুলগুলো পাতার কোলে গুচ্ছবদ্ধ, পাপড়ি সংখ্যা পাঁচটি। শিমের মতো চ্যাপ্টা ফল হয়।

‘শ্বেত কাঞ্চন’এর ফুল ও ফল হয়ে থাকে জ্যৈষ্ঠ-শ্রাবণ মাসে। কখনও সারাবছর। বীজ থেকে চারা হয়। ভারত, ইন্দোনেশিয়া, চীন, মালয়েশিয়া, লাওস, মিয়ানমার, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড এবং ভিয়েতনামে এর বৈশ্বিক বিস্তৃতি রয়েছে।

খুবই গুণবতী ও সুন্দরী শ্বেত কাঞ্চন। এর পাতা, মূল ও বাকল ভেষজ গুণসম্পন্ন হওয়ায় বিভিন্ন কবিরাজী চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়।

বাসাবাড়ির সামনে বা ছাদেও গাছটি লাগানো যায়।
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম