মাস্টারি বিডি ডটকম । কামাল বারি
ঢাকা । ১৮ ডিসেম্বর ২০১৭ । ০৪ পৌষ ১৪২৪
আজ আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস। ২০০০ সালের ৪ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ বিশ্বব্যাপী ১৮ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। এরপর থেকে প্রতি বছর এ দিনে জাতিসংঘের সদস্যভুক্ত প্রত্যেক দেশে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।
‘নিরাপদ অভিবাসন যেখানে, টেকসই উন্নয়ন সেখানে’— এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আজ সোমবার পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস-২০১৭।
বিশেষ করে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ব্যাপক হারে অভিবাসন ও বিপুলসংখ্যক অভিবাসীদের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিষয়াদিকে ঘিরেই এ দিবসের উৎপত্তি।

মানব সভ্যতার শুরুতেই জীবন ও জীবিকার প্রয়োজনসহ বিভিন্ন কারণে মানুষ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে, এক দেশ থেকে অন্য দেশে অভিবাসী হয়েছে। এটি অস্বীকার করার উপায় নেই যে, সভ্যতার বিকাশে অভিবাসন ও অভিবাসীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। বাণীতে রাষ্ট্রপতি অভিবাসী নারী-পুরুষ ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করতে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর বাণীতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে মানবপাচার বিরোধী আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়নের পাশাপাশি অভিবাসন ব্যয় সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনতে বিশ্বের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
দিবসটির গুরুত্ব উপলব্ধি করে আমাদের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ব্যাপক কর্মসূচির মধ্যদিয়ে দিবসটি উদযাপন করেছে।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মরত বাংলাদেশি অভিবাসী নারী-পুরুষের শ্রম সেসব দেশের উন্নয়নের পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিকেও সমৃদ্ধ করছে। অভিবাসী শ্রমিকদের পাঠানো অর্থ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর কালে বিশ্বব্যাপী জাতীয়তাবাদী চেতনার উন্মেষ সত্ত্বেও বর্তমান বিশ্বে নগরসভ্যতার সম্প্রসারণের প্রয়োজনে বৃহদাকার কর্মযজ্ঞে অভিবাসী জনগোষ্ঠীর সংশ্লিষ্টতা ব্যাপকভাবে পরিলক্ষিত হচ্ছে। জাতিসংঘ ঘোষিত উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রায়ও এ বিষয়টি গুরুত্বের সাথে স্থান পেয়েছে। এর প্রেক্ষিতে অভিবাসী জনগোষ্ঠীর প্রতি যথাযথ সম্মান জানাতে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম