মাস্টারি বিডি । তুষার
ফিচার বিভাগ । ৮ ডিসেম্বর ২০১৮ । ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৫
‘সন্ধ্যাকুড়া জিএস রাবার বাগান’ -যার এক কথায় পরিচিতি । তবে এটিই এখন পর্যটকদের দারুণভাবে আকর্ষণ করে যাচ্ছে।
শেরপুর সারি সারি রাবার গাছ, ফলজ, শাল, গজারী ও সেগুনবনের বিন্যাস খুব সহজেই প্রকৃতিপ্রেমীদের হৃদয়ে দোলা দিয়ে যায়। পাহাড়ি ঝর্না ও ঝোড়ার স্বচ্ছ জল হৃদয়ে তুলবে আনন্দের হিন্দোল। পাহাড়, বনানী, ঝর্না এতসব প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মাঝেও কৃত্রিম সৌন্দর্যের অনেক সংযোজন রয়েছে এখানে।
তবে পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এই বাগানটিকে আরও সমৃদ্ধশালী করে গড়ে তোলা সম্ভব।
রাবার বাগানটি শেরপুর জেলা শহর থেকে ২৮ কিঃমিঃ উত্তরে ভারতের মেঘালয় সীমান্ত ঘেঁষে বাংলাদেশের গারো পাহাড়ে অবস্থিত। রাবার উৎপাদন ছাড়াও এই বাগানের আশপাশের অনেক আকর্ষণীয় স্থান রয়েছে- যা পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে সক্ষম।
বাগানের সারিবদ্ধ গাছ, সবুজের সমারোহ, বন্যপ্রাণীর ছোটাছুটি, রাবার আহরণ, উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণ পদ্ধতি দেখার জন্য এখানে প্রতিষ্ঠা করা যেতে পারে পর্যটন কেন্দ্র।
যেভাবে যাবেন :
এখানে আসার জন্য সড়কপথে যাতায়াত খুব সহজ। সন্ধ্যাকুড়া জিএস রাবার বাগান পর্যন্ত রয়েছে মসৃণ পিচঢালা সড়ক। রাজধানী ঢাকা থেকে ময়মনসিংহ হয়ে যাতায়াত সবচেয়ে সহজ। উত্তরবঙ্গ থেকে টাঙ্গাইল-জামালপুর হয়েও আসতে পারেন সড়কপথে। ঢাকা থেকে মাত্র ৪ ঘণ্টায় শেরপুরে আসা যায়।
ঢাকা থেকে সরাসরি মাইক্রো অথবা প্রাইভেটকারে রাবার বাগানে যেতে পারেন। আর বাসে মহাখালী টার্মিনাল থেকে ঝিনাইগাতীতে। সেখান থেকে সিএনজি, অটোরিকশা, লেগুনা কিংবা রিকশায় একদিনের জন্য ২শ’ থেকে ৩শ’ টাকায় সোজা সন্ধ্যাকুড়া রাবার বাগান। শেরপুর শহরে রাত যাপনের জন্য ১শ টাকা থেকে ৫শ টাকায় গেস্ট হাউজ রুম ভাড়া পাওয়া যায়। শহরের আধুনিক মানের থাকার হোটেল রয়েছে।
এছাড়া থাকতে পারেন অনুমতি সাপেক্ষে সার্কিট হাউজ, সড়ক ও জনপথ, এলজিইডি, পল্লী বিদ্যুৎ অথবা কিংবা এটিআই’র রেস্ট হাউজে। ঝিনাইগাতীর ডাকবাংলোতেও থাকতে পারেন। তবে থাকা-খাওয়ার জন্য শেরপুর শহরে চলে আসাই উত্তম।
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম