মাস্টারি বিডি । শিমুল আহসান
ফিচার । ১৪ জানুয়ারি ২০১৯ । ০১ মাঘ ১৪২৫
আজ পয়লা মাঘ। শীত ঋতুর দ্বিতীয় মাসের প্রথম দিন। সাধারণত মাঘ মাসে প্রচণ্ড শীত পড়ে। শৈত্যপ্রবাহ দেখা দেয়। কিন্তু মফস্বলে এবার শীত মোটামুটি থাকলেও রাজধানীতে শীতের প্রকোপ তেমন দেখা যায়নি। রাজধানীতে শীত ঋতুটি এবার বেশ এলোমেলো মনে হচ্ছে। পৌষ মাসের প্রথম দিকে একটু তীব্র মনে হলেও পরে আর তেমনটি থাকেনি। রাজধানীতে আজ শীত পড়লো তো কাল আবার দেখা নেই। এভাবে শীতের রোগব্যাধীতে আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ।

বিশেষ করে বয়ষ্ক এবং শিশুদের দুর্ভোগ একটু বেশি। শীতে প্রধানত বাড়ে শ্বাসতন্ত্রের রোগ। যদিও এসব রোগের প্রধান কারণ ভাইরাস, যা তাপমাত্রার সাথে সম্পর্কিত।
শুষ্ক আবহাওয়া বাতাসে ভাইরাস ছড়াতে সাহায্য করে। এ ছাড়া শীতকালে ধূলাবালির পরিমাণ বেড়ে যায়। ঠান্ডা, শুষ্ক বাতাস হাঁপানি রোগীর শ্বাসনালিকে সরু করে দেয় ফলে হাঁপানির টান বাড়ে।

শীতে সাধারণ ঠান্ডাজনিত সর্দি-কাশি সবারই হয়ে থাকে। এ রোগের শুরুতে গলা ব্যথা করে, গলায় খুশখুশে ভাব ও শুকনা কাশি দেখা দেয়, নাক বন্ধ হয়ে যায়, নাক দিয়ে অনবরত পানি ঝরতে থাকে এবং ঘন ঘন হাঁচি আসে। হালকা জ্বর, শরীর ব্যথা, মাথাব্যথা, গা ম্যাজ ম্যাজ করা, দুর্বলতা ও ক্ষুধামন্দা দেখা দেয়।
তবে একটু সতর্ক থেকে একটু সচেতন থেকে উপভোগ করতে হবে শীতের মিষ্টি সকাল, নরম রোদ এবং শীতকালীন আহার-বিহার।
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম