দিনভর নাগরদোলা, বায়োস্কোপ, সাপ খেলা, পুতুলনাচ, বানর নাচের পর সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে মুক্ত মঞ্চে শুরু হয় লোকজ গান। শিল্পী মেজবাহ আহমেদ, আবু বকর সিদ্দিক, কুদ্দুছ বয়াতি ও ফকির আলমগীর সেখানে রাত ৮ টা পর্যন্ত গান পরিবেশন করেন…
মাস্টারি বিডি ডটকম
ঢাকা । ০১ ডিসেম্বর ২০১৬ । ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩

রাজধানীতে শুরু হয়েছে নবান্ন উৎসব। আবহমান বাংলার বাহারি স্বাদের পিঠাপুলি, রস, মিষ্টান্ন আর লোকজ গানের সুরে মেতে উঠেছে নানা বয়সের নারী-পুরুষ।
বুধবার ধানমন্ডির রবীন্দ্র সরোবরে নানা রকম আয়োজন নিয়ে শুরু হয় এই উৎসব, যা বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই রাজধানীবাসীর পদচারণায় মুখরিত হয়ে ওঠে।
গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী গান, পুতুল নাচ, সাপখেলা, নাগরদোলাসহ নানা আনন্দ আয়োজনে ঐতিহ্যবাহী নবান্ন উৎসবকে শহুরে মানুষের কাছে তুলে ধরতে ‘প্রাণ চিনিগুড়া চাল নবান্ন উৎসব’ শিরোনামে তিনদিনের এই উৎসবের আয়োজক প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ।

উৎসব উৎপলক্ষে রবীন্দ্র সরোবরে ৩২টি কুড়ে ঘর বানিয়ে সেখানে বসানো হয় দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ঐতিহ্যবাহী পিঠাপুলির আয়োজন। সোনারগাঁও পিঠাঘর, ঘরকন্যা পিঠাঘর, কুমিল্লা পিঠাঘর, বরিশাল পিঠাঘর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পিঠাঘর ছিল এর মধ্যে অন্যতম।
দেশের নানা প্রান্তের জনপ্রিয় পিঠাগুলো বাণিজ্যিকভাবেই বিক্রেতারা দর্শনার্থীদের কাছে তুলে ধরেছেন।
এসব ঘরে নরসিংদীর ফুল পিঠা, বিক্রমপুরের দইপিঠা, ঝিনুকপিঠা, ডিমের ঝাল পানতোরা, পাটি সপটা, গোলাপ পিঠা, ইলিশ পিঠা, গোকুল পিঠা, মুগ পাকড় দর্শনার্থীদের নজর কেড়েছে।
পাশে আরেকটি পিঠাঘরে দেখা গেছে মালপোয়া, নকশি পিঠা, ডিম পাকন, শাহী মালাই, রস পুলিসহ হরেক রহমের পিঠা।
দর্শকরা এসব পিঠা খেয়ে দেখছেন আবার অনেকে প্যাকেট করে বাসায়ও নিয়ে যাচ্ছেন।

নাগরদোলা, গানের আসর, বায়োস্কোপ সবকিছু মিলিয়ে অন্যরকম আয়োজন। শহরে এ ধরনের অনুষ্ঠান সত্যিই অনেক আনন্দে।
দিনভর নাগরদোলা, বায়োস্কোপ, সাপ খেলা, পুতুলনাচ, বানর নাচের পর সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে মুক্ত মঞ্চে শুরু হয় লোকজ গান। শিল্পী মেজবাহ আহমেদ, আবু বকর সিদ্দিক, কুদ্দুছ বয়াতি ও ফকির আলমগীর সেখানে রাত ৮ টা পর্যন্ত গান পরিবেশন করেন।
আগামীকাল শুক্রবার সকাল ৬ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত উৎসব চলবে বলে আয়োজকরা জানান।
সূত্র : বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম