ব্ল্যাক ফ্রাইডে, থ্যাংকস গিভিং ডে-সামনেই তো বড়দিন!
Mastary Sangbad
নভেম্বর ২৫, ২০২৩
আন্তর্জাতিক, জীবনশৈলী, পর্যটন, প্রচ্ছদ, ফিচার, ব্যানার, ব্রেকিং নিউজ
254 Views
মাস্টারি সংবাদ | রিপোর্টার
ফিচার | ২৫ নভেম্বর ২০২৩ | ১০ অগ্রহায়ণ ১৪৩০
নভেম্বর মাসের চতুর্থ বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রে থ্যাংকসগিভিং দিবস পালন করা হয়। আর এর পর দিন উদযাপিত হয় ব্ল্যাক ফ্রাইডে। দিনটি প্রায়ই বড়দিনের কেনাকাটার মৌসুমের শুরু হিসেবে বিবেচিত হয়। ব্ল্যাক ফ্রাইডেতে অনেক খুচরা বিক্রেতা তাদের পণ্যে বড় অঙ্কের ছাড় দিয়ে থাকেন। দিনটি বছরের অন্যতম ব্যস্ততম কেনাকাটার দিন হয়ে উঠেছে। ২৪ নভেম্বর এ বছরের ব্ল্যাক ফ্রাইডে পালিত হয় ।
‘ব্ল্যাক ফ্রাইডে’ শব্দটি মূলত সেই দিনটিকে বুঝায়, যেদিন খুচরা বিক্রেতারা লাল রঙের ব্যবহার পরিবর্তে কালো রং ব্যবহার করবেন। এখানে লাল রঙের অর্থ লোকসান করে ব্যবসা চালানো এবং কালোর রঙের অর্থ লাভ করা। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দিনটি একটি বড় শপিং ইভেন্টে বিকশিত হয়েছে। দোকান এবং অনলাইন—উভয় ক্ষেত্রেই ব্যাপক প্রচারের মাধ্যমে দিনটি উদযাপিত হয়। ব্ল্যাক ফ্রাইডে যুক্তরাষ্ট্রে উদ্ভূত হলেও এটি অন্যান্য দেশেও ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। দিনটি এখন বিশ্বব্যাপী কেনাকাটার দিন হিসেবে আলোচিত।
ব্ল্যাক ফ্রাইডেতে বিভিন্ন কারণে লোভনীয় ছাড়ের সঙ্গে ছুটির কেনাকাটার মৌসুম শুরু হয়। এর মাধ্যমে ছুটির কেনাকাটার সময়কালের সূচনা হয়। খুচরা বিক্রেতারা আশা করেন, তাদের সারা বছরের ব্যবসার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ এ সময় হবে। খুচরা বিক্রেতারা ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে এবং সামগ্রিক বিক্রি বাড়াতে যথেষ্ট ছাড় দেয়। নতুন পণ্যের জন্য জায়গা তৈরি হয়।
খুচরা বিক্রেতারা তাদের পুরনো বা অতিরিক্ত পণ্য সরানোর সুযোগ পান। খুচরা বিক্রেতাদের ব্যাপক অংশগ্রহণের কারণে ব্ল্যাক ফ্রাইডে একটি অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক বাজারে পরিণত হয়েছে। একেকটি দোকান অন্য দোকানের চেয়েও আরো বড় ছাড় দেয়। ছাড়ের অঙ্কে একে অপরকে ছাড়িয়ে যেতে চায়। এসবের মাঝে খুচরা বিক্রেতারা তাদের ব্র্যান্ডের প্রচার এবং আরো গ্রাহককে আকর্ষণ করার সুযোগও পান।ব্ল্যাক ফ্রাইডেতে ভিড়ের প্রত্যাশায় দোকানগুলো সাধারণত খুব ভোরে খোলা হয়। গ্রাহকরা প্রায়ই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব দোকানে পৌঁছান। এমনকি কেউ কেউ উত্তেজনাপূর্ণ ছাড়গুলো পেতে এবং বড়দিনের কেনাকাটায় অর্থ বাঁচাতে মলের বাইরে অবস্থান নেয়।
সূত্র: কালের কণ্ঠ
২০২৩-১১-২৫