মাস্টারি বিডি | শান্তা ইসলাম
ফিচার | ঢাকা | ২২ মে ২০১৯ | ০৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬
ফুল, পাখি, পাতা- এসব আলাদা আালাদা শব্দ আলাদা আলাদা জিনিসকে চিনিয়ে দেয় আমাদের। কিন্তু যখন কোনো ফুলের নাম হয়ে যায় পাখিফুল। তখন এই নামকরণের প্রসঙ্গটি জানার কৌতূহল জাগে আমাদের ভেতরে।
আমাদের দেশে বসন্তকালে যে ফুলগুলো চারপাশ আলোকিত করে ফোটে, পাখিফুল তাদের মধ্যে অন্যতম। দুর্লভ এ ফুলটি আমাদের জাতীয় পতাকার কথাই স্মরণ করিয়ে দেয় এর লাল-সবুজ রঙের কারণে।

পাখিফুল এর বৈজ্ঞানিক নাম Brownea Coccinea। এই ফুলের জন্মস্থান ভেনেজুয়েলায়। তাই এর প্রচলিত নাম রোজ অব ভেনেজুয়েলা। প্রজাতিটি গায়ানা, ভেনেজুয়েলা, ব্রাজিল এবং ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর স্থানীয়। এটি সাধারণত জায়ারে, মরিশাস ও সেশেলসহ অন্যান্য দেশে চাষ করা হয়।
বাংলায় কেউ ডাকে সুপ্তি, আবার কারো কারো কাছে এর নাম পারিজাত। তবে এ ফুলের পারিজাত নামটি সঠিক নয়।
জানামতে, মান্দার ফুলের পোশাকি নাম পারিজাত। সেই অর্থে পারিজাতও স্বীকৃত নাম এবং তা কেবল মান্দারের আরেকটি নাম হিসেবেই পরিচিত।

পাখির লেজের মতো ঝুলে থাকে বলেই আমাদের দেশে এটি পাখিফুল হিসেবেই সর্বাধিক পরিচিত। মাঝারি আকৃতির চিরসবুজ গাছটি ৫-৭ মিটার পর্যন্ত উঁচু হয়। বসন্তকালে গুচ্ছ গুচ্ছ হয়ে ফোটা এ ফুল সারা গাছে লাল-সবুজ রঙে ছেয়ে যায়।
দুর্লভ এ ফুলের সবচেয়ে পুরনো গাছটি আছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনের পাশে। এছাড়া মহেশখালীর আদিনাথ মন্দির প্রাঙ্গণ, বাংলাদেশ শিশু একাডেমি, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বোটানিক্যাল গার্ডেন, চট্টগ্রামের বৌদ্ধ বিহার ও নাটোরের উত্তরা গণভবনের প্রবেশপথের ধারে পাখিফুল গাছ আছে।
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম