মাস্টারি বিডি । জাকারিয়া তুষার
সাহিত্য বিভাগ । ঢাকা । ২৩ এপ্রিল ২০১৯ । ১০ বৈশাখ ১৪২৬
কলকাতার বিশিষ্ট কবি পবিত্র মুখোপাধ্যায় ৭০ বছর পর শেকড়ের টানে তার জন্মস্থান বরগুনা জেলার আমতলীতে এসেছেন।
আগামীকাল বুধবার ২৪ এপ্রিল আমতলীতে তাকে সংর্বধনা প্রদান করা হবে। তার পিতা রোহিণী কান্ত মুখোপাধ্যায় ও মাতা যোগমায়া দেবী।
গতকাল ২২ এপ্রিল তিনি কলকাতার থেকে রওয়ানা হয়ে আজ ২৩ এপ্রিল মঙ্গলবার বরিশাল পৌঁছেছেন।
আগামীকাল বুধবার সকালে ষাটের দশকের এ বিশিষ্ট কবি বরিশাল থেকে এলাকার বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব শুভংকর চক্রবর্তীসহ সরাসরি আমতলীতে আসবেন। সংবর্ধনা ছাড়াও তিনি আমতলী প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে মতবিনিময় সভা করবেন।

প্রসঙ্গত, ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর ১৯৪৮ সালের শেষের দিকে মাত্র ১০ বছর বয়সে তার মাসির সাথে দেশ ত্যাগ করেন তিনি।
১৯৫৭ সালে প্রকাশ করেন ‘কবিপত্র’ নামে একটি পত্রিকা। সুদীর্ঘ ৬০ বছর অতিক্রান্ত হয়েছে। আজও পত্রিকাটি প্রকাশিত হয়ে চলেছে।
পবিত্র মুখোপাধ্যায় বাংলা ভাষার একমাত্র কবি, যিনি সাতটি মহাকবিতা এবং একটি আধুনিক মহাকাব্য লিখেছেন অনিবার্য প্রক্রিয়ায়। মেঘনাদ থেকে ইবলিস এই পথ পরিক্রমায় বাংলা ভাষায় নানা পটপরিবর্তন বা রদবদল ঘটে গেলেও প্রকৃত অর্থে আধুনিক মহাকাব্য বা সাহিত্যিক মহাকাব্য মেঘনাদবধ কাব্যের পর আর লেখা হয়নি।
তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘দর্পণে অনেক মুখ’ ১৯৬০ সালে প্রকাশিত হয়। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ হচ্ছে- ‘শবযাত্রা’ ১৯৬১, ‘হেমন্তের সনেট’ ১৯৬১, ‘আগুনের বাসিন্দা’ ১৯৬৭, ‘ইবলিসের অত্মদর্শন’ ১৯৬৯, ‘অস্তিত্ব অনস্তিত্ব সংক্রান্ত’ ১৯৭০, ‘বিযুক্তির স্বেদরাজ’ ১৯৭২, ‘দ্রোহহীন আমার দিনগুলি’ ১৯৮২, ‘অলর্কের উপাখ্যান’ ১৯৮২, ‘আমি তোমাদের সঙ্গে আছি’১৯৮৫, ‘পশুপক্ষি সিরিজ’ ১৯৮২, ‘ভারবাহীদের গান’ ১৯৮৩, ‘আছি প্রেমে বিপ্লবে বিষাদে’ ১৯৮৭।
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম