মাস্টারি বিডি ডটকম ।
রাঙ্গামাটি । ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ । ১০ ফাল্গুন ১৪২৪
কাপ্তাই হ্রদে কার্প জাতীয় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে আগামী বছর থেকে বিএফডিসির নিজস্ব হ্যাচারিতে উৎপাদিত পোনা হ্রদের ছাড়া হবে বলে জানিয়েছেন বিএফডিসির চেয়ারম্যান।
এ পোনা রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদেই নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় উৎপাদন করা হচ্ছে। হ্রদের পানি ব্যবহার করে পোনা লালন পালনের পর তা হ্রদে ছাড়া হলে যেমন, পোনা মৃত্যুর হার কমবে, তেমনি উৎপাদনও বৃদ্ধি পাবে বলে জানিয়েছেন তিনি। রাঙামাটি বিএফডিসির এ নিজস্ব হ্যাচারিতে কমপক্ষে ৬০ টন কার্প জাতীয় মাছের পোনা তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে সংস্থা।

প্রাথমিকভাবে উৎপাদনে সবটুকু কাপ্তাই হ্রদে ছেড়ে দেওয়া হবে। রাঙামাটি সফরকালে বিএফডিসি রাঙামাটি কেন্দ্রের কার্যালয়ে গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে মত বিনিময়কালে এ তথ্য জানান চেয়ারম্যান।
‘লেকে মাছ বাড়ানোই এখন প্রধান টার্গেট’ এমন তথ্য জানিয়ে তিনি বলেন, প্রাকৃতিক প্রজনন বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। রাঙামাটিতে সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় আসে কাপ্তাই লেকের মৎস্য খাত থেকে। লেক ড্রেজিংয়ের জন্য সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকেও চিন্তাভাবনা চলছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান দিলদার আহম্মেদ।
কাপ্তাই হ্রদের পানিতে দিন দিন দূষনের মাত্রা বেড়েই চলেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নানা কারণে দূষণের মাত্রা বাড়ায় বর্তমানে এ লেকের পানি পান করার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে, রাঙামাটি লেকের পানি বর্তমানে মানুষের খাওয়ার উপযুক্ত নয়। তবে এ পানি মাছের জীবনধারণের জন্য ঠিক আছে।

হ্রদে জাক তৈরি করে কচুরিপানার উৎপাদন বাড়িয়ে ও ক্রিক দিয়ে মাছ চাষের ফলে মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন বিনষ্ট হচ্ছে। জাঁক তৈরি করে ও ক্রিক বানিয়ে মৎস্য চাষে মাছের ‘ন্যাচারাল ব্রিডিং’ (প্রাকৃতিক প্রজনন) নষ্ট হচ্ছে।
সম্প্রতি রাঙামাটি বিএফডিসির সম্মেলন কক্ষে স্থানীয় সংবাদকর্মীদের নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিএফডিসির চেয়ারম্যান এসব কথা বলেন। এসময় কাপ্তাই হ্রদ মৎস্য উন্নয়ন ও বিপণন কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক নৌ-বাহিনীর কমান্ডার মো: আসাদুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন। বাসস
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম