ঢাকা, মঙ্গলবার ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ মাসস
গত এক বছরে দেশে দুই শতাধিক শিল্প কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। এতে লক্ষাধিক শ্রমিক তাদের কর্মসংস্থান হারিয়েছেন। কর্মসংস্থান হারিয়ে বিপাকে এসব শ্রমিকের পরিবারের সদস্যরা। কেউ কেউ অন্য পেশা বেছে নিলেও অনেকেই এখনো বেকার।
বিকল্প কর্মসংস্থান না থাকায় ভুগছেন চাকরি হারানো এসব শ্রমিকরা। কেউ কেউ বাসা ভাড়া না দিয়ে, দোকানের বাকি টাকা পরিশোধ না করেই গ্রামে ফিরে গেছেন বা অন্যত্র চলে গেছেন।
বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টারের (পিপিআরসি) নতুন এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, দেশের ৮০ শতাংশ পরিবারের খরচ এখন আয়ের থেকে বেশি।
তাদের তথ্য অনুযায়ী, দেশে দারিদ্র্যের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭ দশমিক ৯৩ শতাংশে। ২০২২ সালে এই হার ছিল ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ। অতি দারিদ্র্যের হার তিন বছর আগের ৫ দশমিক ৬ শতাংশ থেকে বেড়ে ৯ দশমিক ৩৫ শতাংশ হয়েছে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ২০২২ সালের খানা আয় ও ব্যয় জরিপ অনুযায়ী, দেশের দারিদ্র্যের হার ছিল ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ। আর অতি দারিদ্র্যের হার ছিল ৫ দশমিক ৬ শতাংশ। সেই হিসাবে পিপিআরসির সমীক্ষায় দেশে দারিদ্র্য ও অতি দারিদ্র্য—দুটিই উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।
কালের কণ্ঠ
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম