মাস্টারি বিডি | শান্তা ইসলাম
ফিচার | ঢাকা | ১৮ মে ২০১৯ | ০৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬
শ্বেতকাঞ্চন ফুলটিকে সংস্কৃত ভাষায় ‘শিবমল্লি’ নামে উল্লেখ করা হয়। ‘ড্রাফট হোয়ইট অর্কিড’ নামেও ইংরেজিতে এর নাম পাওয়া যায়। ফুলটি ধবধবে সাদা, তবে গন্ধহীন। শাখা-প্রশাখার মাথায় ফুল ফোটে। এ ফুটন্ত ফুলগুলো দূর থেকে দৃষ্টি কাড়ে।

শ্বেতকাঞ্চনের ইংরেজি নাম Dwarf White Bauhinia, White Orchid-tree and Snowy Orchid-tree.। এর বৈজ্ঞানিক নাম Bauhinia acuminata.। এটি হচ্ছে Fabaceae পরিবারের একটি গুল্ম প্রজাতি। এদের বিস্তৃত চাষাবাদের জন্য আদি নিবাস বোঝা না গেলেও মনে করা হয় এরা মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া (জাভা, বোর্নিও, Kalimantan, Lesser Sunda Islands) এবং ফিলিপাইন থেকে এসেছে।
শ্বেতকাঞ্চন পত্রমোচী গাছ। পাতার আগা দুই ভাগে বিভক্ত, মসৃণ, নিচের শিরা সামান্য রোমশ। বসন্তের শেষ থেকে শরত পর্যন্ত ফুল ফোটে। পাতার কক্ষের একটি থোকায় কয়েকটি করে ফুল ফোটে। সাদা, গন্ধহীন, পাপড়ি সংখ্যা পাঁচটি এবং পাপড়ি মুক্ত।

শুভ্রতার প্রতীক হচ্ছে ‘শ্বেত কাঞ্চন’। ফুল ফোটে জ্যৈষ্ঠ-শ্রাবণ মাসে। কখনও সারাবছর। বীজ থেকে চারা হয়। ভারত, ইন্দোনেশিয়া, চীন, মালয়েশিয়া, লাওস, মিয়ানমার, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড এবং ভিয়েতনামে এর বৈশ্বিক বিস্তৃতি রয়েছে।
গবেষকদের মতে, ‘শ্বেত কাঞ্চন’ গাছের শিকড় খুব বিষাক্ত এবং সর্পদংশনের প্রতিষেধক হিসেবে ব্যবহার্য।
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম