
মাস্টারি বিডি ডটকম । শান্তা ইসলাম
ঢাকা । ১২ এপ্রিল ২০১৮ । ২৯ চৈত্র ১৪২৪
বর্ণিল আয়োজনে পাহাড়ে শুরু হয়েছে বর্ষবরণ ও বিদায়ের ঐতিহ্যবাহী উৎসব বৈসাবি।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে কাপ্তাই হ্রদের পানিতে গঙ্গা দেবীর উদ্দেশ্যে ফুল ভাসানোর মধ্য দিয়ে চাকমা জনগোষ্ঠী উৎসবের প্রথম দিন ‘ফুল বিজু’ পালন করেছেন।

অপরদিকে ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর মানুষও এদিন পানিতে ফুল ভাসিয়ে পালন করেছেন ‘হারি বৈসুক’।
সকাল ৭ টায় রাঙামাটি শহরের রাজবাড়ী ঘাটে চাকমা জনগোষ্ঠীর ফুলবিজুতে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের পার্বত্যাঞ্চল কমিটির সভাপতি প্রকৃতি রঞ্জন খীসা।

এ সময় অসংখ্য চাকমা তরুণ-তরুণী ও বিভিন্ন বয়সী মানুষ এই আয়োজনে অংশ নেন।
সকাল ৮ টায় রাঙামাটি শহরের গর্জনতলি এলাকায় ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর সদস্যরা অংশ নেন ‘হারি বৈসুকে’। তারাও একইভাবে পানিতে ফুল ভাসিয়ে, ঘর সাজিয়ে, ঐতিহ্যবাহী গড়াইয়া নৃত্য পরিবেশন, বয়ষ্কদের স্নাত ও বস্ত্রদানের মাধ্যমে পালন করেন দিনটি।

অনুষ্ঠানে উৎসব কমিটির সদস্য বিজয় কেতন চাকমা, ইন্দ্র দত্ত তালুকদারসহ চাকমা সম্প্রদায়ের বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। এদিকে ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের লোকজন শহরের গর্জনতলী এলাকায় গঙ্গা দেবীর উদ্দেশ্যে ফুল ভাসানোর মধ্যে দিয়ে বৈসুক উৎসবের সূচনা করেন।

এ সময় সাবেক পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী দীপঙ্কর তালুকদার, রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা, পৌর মেয়র আকবর হোসেন চৌধুরী ও জেলা পরিষদ সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।

পরে নৌকা বাইজ প্রতিযোগিতা ও ত্রিপুরা কল্যাণ ফাউন্ডেশনের আয়োজনে আলোচনা সভা ও ত্রিপুরাদের গড়াইড়া নৃত্য পরিবেশিত হয়।
ঐতিহ্য অনুযায়ী আজ পানিতে ফুল ভাসানোর মধ্য দিয়ে তিন দিনের সার্বজনীন উৎসব শুরু হয়।

আগামীকাল ১৩ এপ্রিল উদযাপিত হচ্ছে মূল বিজু। আগামী ১৪ এপ্রিল অর্থাৎ পহেলা বৈশাখ গোজ্যাপোজ্যে দিন ও বর্ষবরণ উৎসব।

মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম