ঢাকা, সোমবার ২৩ জুন ২০২৫ মাসস
ব্যাংকসমুহের ওয়েবসাইট থেকে পাওয়া তথ্য মতে, উত্তরা ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংক, সীমান্ত ব্যাংক, ইউসিবি, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক ইত্যাদি। এ ছাড়া বেশির ভাগ ব্যাংক থেকে ব্যক্তিগত ঋণ সুবিধায় বিবাহ ঋণ নেওয়া যায়।
বিয়ের খরচ, কিংবা অর্থ সংকট, তাই বিয়ে করতে দেরি করছেন অনেকে। তবে এবার বিয়ের জন্য ঋণ দেবে ব্যাংক। দেশে এমন কয়েকটি ব্যাংক আছে, যারা ‘বিবাহঋণ’ নামের বিশেষ ঋণ সুবিধা দিচ্ছে।
এসব ব্যাংকের ওয়েবসাইটে এই তথ্য দেওয়া আছে। জামানত ছাড়াই বিয়ের জন্য ঋণ দেওয়া হয়। বিয়ের জন্য ২৫ হাজার টাকা থেকে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ নেওয়া যায়।মাসিক কিস্তিতে ঋণ পরিশোধের সুযোগ রয়েছে।
চাকরিজীবী, চিকিৎসক, ব্যবসায়ী, জমির মালিকসহ নানা পেশার লোকজন এই ঋণ পেতে পারেন। বিজিবি সদস্যদের জন্য বিয়ে ঋণ রয়েছে সীমান্ত ব্যাংকে। শুধু বিজিবির কর্মরত সদস্যরাই ঋণ সুবিধা নিতে পারবেন। ঋণটি মূলত সংশ্লিষ্ট সদস্যের নিজের বিয়ের জন্য প্রযোজ্য হলেও সন্তানের বিয়ের ক্ষেত্রেও এই ঋণ নেওয়া যাবে।
এই ঋণ পরিশোধে সময় পাবেন সর্বোচ্চ ৫ বছর। তবে কিস্তির সংখ্যা বাড়ালে সুদের পরিমাণও বেড়ে যাবে। ব্যাংকসমুহের ওয়েবসাইট থেকে পাওয়া তথ্য মতে, উত্তরা ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংক, সীমান্ত ব্যাংক, ইউসিবি, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক ইত্যাদি। এ ছাড়া বেশির ভাগ ব্যাংক থেকে ব্যক্তিগত ঋণ সুবিধায় বিবাহ ঋণ নেওয়া যায়।
চাকরিজীবীরাই এই ঋণ নিতে পারবেন। স্থায়ী চাকরি, ভালো আয় হলে অগ্রাধিকার দিবে ব্যাংক। বয়স, চাকরির অভিজ্ঞতা ও আর্থিক লেনদেন ইতিহাস বিবেচনা করে অন্য পেশাজীবী (যেমন: চিকিৎসক, শিক্ষক) এরাও আবেদন করতে পারবেন।বিয়ের জন্য ঋণ পেতে জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট সাইজ ছবি, চাকরির প্রমাণপত্র (যেমন আইডি কার্ড, নিয়োগপত্র), সর্বশেষ ৩ থেকে ৬ মাসের পে-স্লিপ, ব্যাংক হিসাবের বিবরণী, কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) সনদ এবং কিছু ক্ষেত্রে অনাপত্তি সনদ (এনওসি) প্রয়োজন হয়।বিয়ের ঋণের জন্য আবেদন করতে বিয়ের কার্ড, চিকিৎসার কাগজ বা ভ্রমণ পরিকল্পনার কপি দিতে হতে পারে।