ঢাকা, শুক্রবার ১২ ডিসেম্বর ২০২৫মাসস
খুলনা জেলার ৯ উপজেলায় গেল ১৫ মাসে ৬২টি হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ৪৩ হত্যার রহস্য উন্মোচন করেছে জেলা পুলিশ। এসব হত্যার নেপথ্যে যেমন রয়েছে পরকীয়া, পূর্বশত্রুতা, তেমনি রয়েছে মাদক কারবার ও আধিপত্য নিয়ে বিরোধ। সর্বোচ্চ ১৫টি হত্যার ঘটনা ঘটেছে জেলার রূপসা উপজেলায়।
জানা গেছে, জেলার ফুলতলা, দিঘলিয়া, রূপসা, ডুমুরিয়া ও বটিয়াঘাটা থানা এলাকায় রয়েছে প্রায় অর্ধশত মাদকের স্পট। এই কারবারিদের শক্তিশালী নেটওয়ার্ক রয়েছে। তারা কতিপয় অসাধু পুলিশ কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে এই কারবার পরিচালনা করছে।
নবাগত পুলিশ সুপারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, খুলনা জেলার ৫৩১টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৩৫টি ঝুঁকিপূর্ণ। তালিকার শীর্ষে রয়েছে পাইকগাছা। এ উপজেলায় ঝুঁকিপূর্ণ রয়েছে ৩৫টি কেন্দ্র। এ ছাড়া কয়রার ১৪টি, ডুমুরিয়ার ২৭টি, ফুলতলার চারটি, দিঘলিয়ার আটটি, তেরখাদার ছয়টি, রূপসার ২৩টি, দাকোপের ১৩টি ও বটিয়াঘাটার পাঁচটি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ।
খুলনা জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান জানান, এরই মধ্যে হত্যাসহ বেশির ভাগ ঘটনার রহস্য উন্মোচন করেতে পুলিশ সমর্থ্য হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করেছে। মাদক কারবারিদের কোনো ছাড়া দেওয়া হচ্ছে না। ফলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
খুলনা নাগরিক সমাজের সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট বাবুল হাওলদার বলেন, বর্তমানে মানুষ নিরাপত্তাহীন ও শঙ্কায় রয়েছে। নির্বাচনী তফসিলের পর সব দলই মাঠে থাকবে। তাই আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে।
সংবাদকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে খুলনার নবাগত পুলিশ সুপার মাহাবুবুর রহমান জানান, নির্বাচনকালীন যেকোনো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য পুলিশ প্রস্তুত আছে।
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম